Original Poem
মৃতেরা উঠে আসে অসুখ তার পোকা। রসের ভাণ্ডখানি উপুর হলো যেই ভরদুপুরে কার ডাক সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসে সশরীর আমি দেখি জলাখেত ভরে কুবলয়, শস্যের আকাল চারদিকে ঘিরে ফেলে তোমাকে অসময় এমনকী জ্যোৎস্নাও জানেনি আলো কোথায় ছেয়ে আছে এখানে মরসুমি পাখিদের বড্ড আকাল ইদানীং বারুদগন্ধ ছুটে যাচ্ছে উপকূল ভেদ করে, আর মৃতেরা উঠে আসে কবরের হিম গায়ে মেখে নৈঃশব্দ্য ফেটে পড়ে যতদূর ধু-ধু বালুচর
Translation (Bengali)
মৃতেরা উঠে আসে
অসুস্থতা তার ক্ষুদ্র প্রাণী। রসের পাত্র উল্টে গেল যখন
দুপুরে কারো ডাক সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসে শরীর নিয়ে
আমি দেখি জলাভূমি ভরে গেছে,
শস্যের অভাব চারদিকে ঘিরে ফেলেছে তোমাকে অপ্রত্যাশিত সময়ে
এমনকী চাঁদের আলোও জানেনি আলো কোথায় ছড়িয়েছে
এখানে ঋতুভিত্তিক পাখিদের অভাব ইদানীং
বারুদের গন্ধ ছুটে যাচ্ছে উপকূল ভেদ করে, আর
মৃতেরা উঠে আসে কবরের ঠান্ডা শরীর নিয়ে
নীরবতা ফেটে পড়ে যতদূর ফাঁকা বালির চরে
About the Poet
Unknown (Modern Bengali Poetry)
বাংলা কবিতা একটি সমৃদ্ধশালী সাহিত্যিক ধারা যা বহু শতাব্দী ধরে বিকশিত হয়েছে। এটি মূলত প্রাকৃত, সংস্কৃত এবং সামাজিক রীতির সংমিশ্রণে গঠিত। আধুনিক বাংলা কবিতার ধারা বিশেষভাবে ১৯শ শতাব্দী থেকে শুরু হয়।
Read more on Wikipedia →Historical Context
- Literary Form
- Free Verse
- When Written
- Unknown
- Background
- এই কবিতাটি সম্ভবত আধুনিক বাংলা কবিতার ধারার অংশ, যেখানে সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবর্তন এবং মানবিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটে।
Sources: https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE, https://sandipandotblog.wordpress.com/category/%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A9%9E%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4/
Detailed Explanation
এই কবিতায় মৃতদের পুনরুত্থানের একটি চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। অসুখের পোকা এবং রসের ভাণ্ডখানি উপুর হওয়ার মাধ্যমে জীবনের ক্ষয় এবং মৃত্যুর অমোঘতা তুলে ধরা হয়েছে। ভরদুপুরে কারো ডাকের মাধ্যমে জীবনের আকস্মিক পরিবর্তনকে বোঝানো হয়েছে। কবি জলাখেতের ভরাট কুবলয় এবং শস্যের আকাল দ্বারা জীবনের কঠিন পরিস্থিতি এবং সময়ের অসময়কে তুলে ধরেছেন। এমনকি জ্যোৎস্নাও জানেনি আলো কোথায় ছেয়ে আছে, এই লাইনটি জীবনের অনিশ্চয়তা এবং অজানা ভবিষ্যতের প্রতীক। মরসুমি পাখিদের আকাল এবং বারুদগন্ধের মাধ্যমে যুদ্ধ এবং ধ্বংসের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার শেষ অংশে নৈঃশব্দ্য এবং ধু-ধু বালুচরের মাধ্যমে একাকীত্ব এবং শূন্যতার অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
Themes
Literary Devices
Word Dictionary
| Word | Meaning | Translation | Transliteration |
|---|---|---|---|
| অসুখ | রোগ | শারীরিক বা মানসিক কষ্ট বা রোগ | oshukh |
| পোকা | কীট | ক্ষুদ্র প্রাণী যা ক্ষতি করতে পারে | poka |
| ভাণ্ডখানি | পাত্র | রস বা তরল রাখার পাত্র | bhaanDakhani |
| উপুর | উল্টানো | উল্টে যাওয়া বা ফেলে দেওয়া | upur |
| সশরীর | শরীর সহ | শরীর নিয়ে উপস্থিত হওয়া | sasharir |
| জলাখেত | জলাভূমি | জলপূর্ণ স্থান | jalakhet |
| কুবলয় | জলাশয় | জলপূর্ণ স্থান বা পুকুর | kuboloy |
| আকাল | দুর্ভিক্ষ | খাদ্যের অভাব | akaal |
| অসময় | অপ্রত্যাশিত সময় | যখন কিছু হওয়ার কথা নয় | ashomoy |
| জ্যোৎস্না | চাঁদের আলো | পূর্ণিমার রাতের আলো | jyochchhnaa |
| মরসুমি | ঋতুভিত্তিক | ঋতুর সাথে সম্পর্কিত | morshumi |
| বারুদগন্ধ | গন্ধক | যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত পদার্থের গন্ধ | baarudgondho |
| নৈঃশব্দ্য | নীরবতা | শব্দহীন অবস্থা | naishabdo |
| ধু-ধু | শূন্য | ফাঁকা বা নির্জন | dhu-dhu |
| বালুচর | বালির স্থান | বালির সমতল ভূমি | baluchar |
Want to analyze your own poem?
Paste any poem in 180+ languages and get an instant AI-powered analysis with translation, explanation, poet biography, and literary devices.
Try Poetry Explainer — Free